তুহিন, কক্সবাজারঃ
আরিফুর ইসলাম সূদুর ঢাকা থেকে ফেব্রুয়ারির এই ছুটিতে বুক ভরে নিশ্বাস নিতে এসেছিলেন সাগর কন্যা কক্সাবাজার। কিন্তু স্বস্তির নিশ্বাসের বদলে দম নেয়াটা দূরহ হয়ে উঠেছে এই বেসরকারি কর্মকর্তার। ভরা পর্যটন মৌসুমের পাশাপাশি ২১শে ফেব্রুয়ারির ছুটিতে কক্সবাজারে এখন লাখো পর্যটক পদচারণা।
ট্যুরিস্ট পুলিশের ধারণা, ২১ ফেব্রুয়ারি'র বন্ধ উপলক্ষে সৈকতে সমবেত হন প্রায় এক লাখ পর্যটক। এ সংখ্যা আরও বেড়ছে সপ্তাহিক ছুটি থাকাতে। আগামী রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সাড়ে চার শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজের সব রুম পর্যটকে ভরপুর থাকবে।
অন্যদিকে, অগ্রিম বুকিং না করে কক্সবাজার ভ্রমনে এসে বিপাকে পড়েছে হাজারো পর্যটক। পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজারে এখন হোটেল মোটেলে তিল পরিমান জায়গা নেই থাকার জন্য৷ টূরিজমের এক অপার সম্ভাবনা হিসাবে কক্সবাজারকে ঘিরে চলছে অনেক আয়োজন কিন্তু ধারন ক্ষমতার বেশি মানুষ আশায় প্রধান শহরে মানুষ পড়েছে বিপাকে।
এরই প্রেক্ষিতে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে পর্যটকদের একাংশ যদি সরাসরি চলে আসে তাহলে প্রধান সড়কের চাপ কমবে বলে আশা করা যাচ্ছে। টুরিস্ট পুলিশের তথ্যমতে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমন করবে আগামী ২৬ তারিখ পর্যন্ত। পর্যটকদের এই ঢলকে সামাল দিতে সরকার ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থাও করেছে।
এদিকে সকাল থেকে বেলা ১২টা অবধি দেখা যায়, হোটেলে রুম না পেয়ে ব্যাগ ও লাগেজ নিয়ে অনেক পর্যটক বালিয়াড়িতেই অবস্থান করছেন, অনেকেই দাঁড়িয়ে আছেন সাগরতীরে। কেউ কেউ সড়কে পায়চারি করে সময় পার করছেন। তবে হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ ও যানবাহনের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন পর্যটকরা।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, পর্যটকদের হয়রানি রোধে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পর্যটকদের অভিযোগ শোনার জন্য আমরা হেল্প ডেস্ক চালু রেখেছি। অভিযোগ পেলে সাথে সাথে আইনি ব্যবস্থাও নিচ্ছি।





