ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ার পর আহত হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে আল-শিফা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। এক পর্যায়ে হাসপাতালের নিচে হামাসের ঘাটি আছে দাবি করে সেখানেও অভিযান চালায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।
পরে জ্বালানি সংকটের কারণে গত ৮ নভেম্বর গাজার প্রধান এ হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) হাসপাতালটির পরিচালকসহ বেশ কয়েকজন চিকিৎসককেও গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (২৯ নভেম্বর) কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরাকে হাসপাতালটির এক চিকিৎসক মারওয়ান আবু সাদা বলেছেন, আগামীকাল জরুরি বিভাগ খোলার জন্য হাসপাতালটিকে প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসার জন্য নাগরিকদের হাসপাতালে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আবু সাদা বলেন, যদিও অপারেশন থিয়েটার এখনও প্রস্তুত নয়, এবং সব বিভাগ নতুনদের ভর্তি করার জন্য প্রস্তুত নয়, তবুও আমরা আরও বেশি সংখ্যক রোগী গ্রহণের জন্য মাঠ প্রস্তুত করছি। আল-শিফা হাসপাতালে ইসরায়েলি আক্রমণের সময় ক্ষতিগ্রস্থ অক্সিজেন জেনারেটরগুলির মেরামত প্রয়োজন। তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জ্বালানী।
তিনি আরও বলেন, 'যুদ্ধবিরতির পর থেকে হাসপাতালে কিছুই আসছে না। আমি মনে করি বেশিরভাগ চিকিৎসা সহায়তা দক্ষিণের হাসপাতালগুলোতে যাচ্ছে। শুধু খাবার, পানি এবং অন্যান্য জিনিসপত্র ছাড়া উত্তরাঞ্চলে কিছুই আসছে না।





