জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডে ষড়যন্ত্র আছে। নিজেদের ভেতরের যৌক্তিক বিষয়গুলো নিয়ে অযৌক্তিক বিতর্কের সুযোগ নিচ্ছে খুনি হাসিনার দোসররা। হাসিনার দালালেরা তাদের অপকর্মের ফাইলগুলো আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের হলরুমে জাতীয় নাগরিক কমিটির ‘ঠাকুরগাঁও রাইজিং’ এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেছেন সারজিস আলম।
সারজিস বলেন, ‘আমরা দেখেছি সচিবালয়ের দুটি রুমে আগুন জ্বলছে। অথচ মধ্যরুমে কোনো আগুন জ্বলছে না। এটা কীভাবে সম্ভব? আগুন একটা জায়গা থেকে উৎপত্তি হলে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়বে, এটাই জানা কথা। অথচ সচিবালয়ে এর উল্টোটা ঘটেছে।’
দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা চলছে দাবি করে সারজিস আলম বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বোঝা যায় যে, খুনি হাসিনা দেশটাকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এখানে আরও অন্য কোনো চক্রান্ত আছে কি না, তা আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে হয়ে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।’
সারজিস আলম বলেন, সচিবালয়ের একটি বড় অংশ খুনি হাসিনাকে চেয়ারে বসিয়ে রেখেছিল। বিগত ১৬ বছর ধরে এই অংশটি সকল অন্যায়কে বৈধতা দিয়ে এসেছে। বিগত ৪ আগস্টেও সচিবালয়ের নিচে অফিস বাদ দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় কিছু তথাকথিত আমলা নামক দাস শেখ হাসিনার পক্ষে স্লোগান দিয়েছে। তারা এখনও সচিবালয়ে অফিস করে।
গণ-অভ্যুত্থানের আগে ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষার্থীদের মিছিল দেখে শরীর শিউরে উঠেছে উল্লেখ করে সারজিস বলেন, ‘অথচ সেটাকে পুঁজি করে মামলা বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি হচ্ছে। মামলায় নাম দেওয়ার সময় টাকা, আবার মামলা থেকে নাম কাটার সময় টাকা নেওয়া হচ্ছে। বড় বড় ব্যবসায়ীদের বাসায় ডেকে নিয়ে এসে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। এসবের জন্য এত মানুষ শহীদ হয়নি।’





