রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বিনা অনুমতিতে সমাবেশ, পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা চার মামলায় বিএনপির বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার কিংবা হয়রানি করা যাবে না বলে উচ্চ আদালত মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন।
আদালতের নির্দেশনা না মেনে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সালাউদ্দিনের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম সুমন।
বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার কিংবা হয়রানি না করতে মৌখিক নির্দেশনার বিষয়টি ডিএমপি কমিশনারকে অবহিত করতে এসে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।
প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে অবস্থান শেষে রাত ৮টার দিকে ডিএমপি সদরদপ্তর ত্যাগ করেন সালাউদ্দিনের আইনজীবীরা।
এ সময় সুপ্রিম কোর্টে সালাউদ্দিনের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম সুমন সাংবাদিকদের বলেন, যাত্রাবাড়ী-৫ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যে চারটি মামলা ছিল সেই মামলায় সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ আলী ও কায়সার কামাল নেতৃত্বে আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে তার জামিন আবেদন করেন।
এ সময় আসামিরা উপস্থিত রয়েছেন কি না তা শনাক্ত করেন আদালত। পরে এ বিষয়ে আদেশের রোববার (৬ আগস্ট) দিন ধার্য করেন আদালত।
আইনজীবী সুমন আরও বলেন, এ সময় আদালত মৌখিকভাবে নির্দেশনা দিয়ে কোর্টে ‘আইনজীবী সার্টিফিকেট’ জমা দিতে বলেন। যাতে আসামিদের গ্রেপ্তার কিংবা হয়রানি না করা হয় সেই নির্দেশনা জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু আইনজীবী সার্টিফিকেট দেখানোর পরেও তাকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়।
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে আসার বিষয় তিনি বলেন, আমরা ‘আইনজীবী সার্টিফিকেট’ দেখানো জন্য ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। পাশাপাশি আদালতের মৌখিক নির্দেশনার বিষয়টি জানানো হয়েছে। আমাদের আবেদন ডিএমপি কমিশনার কার্যালয়ে রিসিভ করা হয় এবং এক ঘণ্টা বসিয়ে রেখে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। তবে ডিএমপি আমাদের একটি রিসিভ কপি দিয়েছে।
সালাউদ্দিনের জামিনের পরবর্তী কার্যক্রম বিষয়ে জানতে চাইলে এ আইনজীবী বলেন, আগামী দু’দিন কোর্ট বন্ধ। রোববার ছাড়া কিছু করার নেই।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে আদালতে হাজিরা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে যাত্রাবাড়ী থেকে সালাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।





