কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির মধ্যে ঢাকার বানানীর সেতু ভবনে এবং মহাখালীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে আগুন দেওয়া হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দেড় ডজন গাড়ি।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটকে সড়কে আটকে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ফলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সেখানে পৌঁছাতে পারছে না।ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমরা বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে মহাখালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ভবন ও বানানী সেতু ভবনে আগুনের খবর পাই। খবর পেয়ে দ্রুত চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি।’প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মহাখালীর আমতলী মোড় থেকে বীর-উত্তম এ কে খন্দকার সড়কে লাঠিসোঁটা নিয়ে এগিয়ে আসে একদল যুবক। তিতুমীর কলেজের আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনের সামনে এসে তারা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এতে ভবনের সামনের অংশের বেশ েকিছু কাচ ভেঙে যায়। পরে ওই ভবনের সামনের সড়ক এবং ভবনের প্রবেশপথের সামনে থাকা কয়েকটি গাড়ি ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে তারা। এক পর্যায়ে কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।এক পর্যায়ে পাশে থাকা গাড়িগুলোতে আগুন ধরে যায়। আধাঘণ্টা আগুন জ্বলার পর ওই ভবনেও আগুন ধরে যায়। ভবনের সামনের গাড়িগুলো থেকে একটু পর পর বিস্ফোরণ হতে থাকে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (কাবিখা) মো. বদরুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের ভবনের সব কাচ ভেঙে ফেলেছে। ভবনেও আগুন লেগেছে। আমরা ভবনের ছাদ থেকে আশপাশের ভবনের ছাদ দিয়ে বের হয়ে এসেছি।’





