Monday, 26 October 2026
শিরোনাম
ভারতে ৬১ শতাংশ মুসলিমদের ঈদের ছুটি ১ দিন, বাংলাদেশে হিন্দুদের পূজার ছুটি ৫ দিন মধ্যরাতে ডাকাতের কবলে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানি সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির চুম্বনের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ায় ভারতীয় যুবক কারাগারে ‘এই চড় কোটি মানুষের প্রতিবাদের ভাষা’ কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে অ্যাড. জাকারিয়া মিলন প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার বিয়ের দাবিতে বিচারকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন! বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেম: মামাকে রাস্তা থেকে সরাতে ডেকে নিয়ে খুন করল ভাগিনা! সেনাবাহিনীর পোশাকে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ-টাকা লুট
এক্সক্লসিভ

পঞ্চগড়ে অবৈধ সার জব্দে গিয়ে ইউএনও'র আইন প্রয়োগে শিথিলতা!

• • পঠিত 7 বার
শেয়ার করুন:
পঞ্চগড়ে অবৈধ সার জব্দে গিয়ে ইউএনও'র আইন প্রয়োগে শিথিলতা!

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অবৈধভাবে বিপুল পরিমানে সার মজুদের অভিযোগে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। যৌথ বাহিনীর অভিযানে উপজেলা লক্ষীর হাট বাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার তিনটি গোডাউনে বিভিন্ন প্রকারের ২ হাজার ১৫১ বস্তা সারের সন্ধান মেলে। এর মধ্যে একটি গোডাউনের প্রবেশপথে মেসার্স শিখামনি ট্রেডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম দেখতে পাওয়া যায়।

 

জব্দকৃত সারের বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ২১ লাখ টাকা। গোডাউন তিনটিতে মজুদকৃত সারের মালিক সহিদুল ইসলাম বাবুল ওরফে বাবুল ডাক্তার। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে অংশ নেয় কৃষি বিভাগ, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যগণ। অভিযানে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল ইসলাম অভিযুক্ত সহিদুল ইসলামকে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ এর ধারা ১২ অনুযায়ী ত্রিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

 

সেই সাথে জব্দকৃত সার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে কৃষকদের মধ্যে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করে সমুদয় টাকা সহিদুল ইসলামকে প্রদানসহ তার নিজস্ব জমিতে ব্যবহারের জন্য ২৪০ বস্তা সার প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, এত বিপুল পরিমাণ সার জব্দের পরও দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আইনী পদক্ষেপ গ্রহণে শিথিলতা দেখিয়েছেন।

 

সারের অবৈধ মজুদ ঠেকাতে সরকার সার (ব্যবস্থাপনা) (সংশোধন) আইন ২০১৮ এ শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। যেখানে ২০০৬ সালের সার ব্যবস্থাপনা আইনের ধারা ৮ সংশোধন করে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ত্রিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের পরিবর্তে দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের শাস্তি রাখা হয়।

 

এই ধারায় নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের নিকট হতে নিবন্ধন গ্রহণ ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তি সার উৎপাদন, আমদানি, সংরক্ষণ, বিতরণ, বিপণন, পরিবহন করতে পারবেন না বলা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুযোগ থাকা স্বত্বেও এই ধারা অনুসরণ না করে অপেক্ষাকৃত যে ধারায় লঘু শাস্তি প্রদান করা যায় তা অনুসরণ করেছেন।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক কৃষক বলেন, যিনি ২০-২২ লাখ টাকার সার গুদামজাত করতে পারেন তার কাছে ৩০ হাজার টাকা দণ্ড সাধারণ ব্যাপার। বিচারের নামে প্রহসন হলে অনিয়মকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে। অভিযুক্তের পরিবার রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় ইউএনও নমনীয়তা দেখিয়েছেন।

 

এই বিষয়ে জানতে ইউএনও মাহমুদুল হাসান এবং জেলা প্রশাসক কাজী মো: সায়েমুজ্জামানের মুঠোফোনে কল দিলেও তারা রিসিভ করেনি।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।