Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

নতুন দুটি ট্রেন পাচ্ছে গোপালগঞ্জ

admin • 19 May 2026, 07:06 PM • পঠিত 2 বার
শেয়ার করুন:
নতুন দুটি ট্রেন পাচ্ছে গোপালগঞ্জ

রেলপথে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের দূরত্ব ১৪৫ কিলোমিটার। পদ্মা সেতুতে রেল যুক্ত হওয়ায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ট্রেনের হুইসেল নিত্য শোনার বীজ বপন হয়। সেই পথ দিয়েই এখন ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাবে যাত্রীবাহী নতুন দুটি ট্রেন। গোপালগঞ্জের জন্য দুটি ট্রেন বরাদ্দ করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার।

 

গত রবিবার এ-সংক্রান্ত চূড়ান্ত নথি প্রস্তুত করে রেলওয়ে থেকে পাঠানো হয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে। যে ট্রেনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর পর ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা পথে চলাচল শুরু হবে নতুন এই ট্রেনের। রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে জানা গেছে এমন সব তথ্য।

 

এতে বলা হয়, জয়দেবপুর কমিউটারের রেক ব্যবহার করে ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে এক জোড়া নতুন ট্রেন পরিচালনা করা যেতে পারে। ঢাকা-গোপালগঞ্জ ট্রেনের নম্বর প্রস্তাব করা হয়েছে ১৩৬। আর গোপালগঞ্জ-ঢাকার ক্ষেত্রে ১৩৫।

 

অভিযাত্রী কমিউটারে যাত্রীবাহী কোচ (বগি) থাকবে ৮টি। একটি বগিতে থাকছে সর্বোচ্চ ৯৭ যাত্রীর আসন। পুরো ট্রেনে আসন থাকবে ৬০৯টি। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী জংশন ব্যবহার করে চলবে ট্রেনটি। ঢাকা থেকে প্রতিদিন একবার বেলা সাড়ে ৩টায় ছেড়ে যাবে অভিযাত্রী কমিউটার। গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে। আধা ঘণ্টা বিশ্রামের পর আবার ৭টা ১৫ মিনিটে ঢাকার পথে যাত্রা শুরু করবে ট্রেনটি। সব ঠিকঠাক থাকলে ৩ ঘণ্টা ১০ মিনিটে অভিযাত্রীর যাত্রা শেষ হবে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে।

 

রেলওয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ট্রেনটিতে থাকবে শোভন ও ‘মেট্রো টাইপ’ শোভন চেয়ার শ্রেণির আসন ব্যবস্থা। ঢাকা থেকে ছেড়ে কেরানীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, শিবচর, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা, মহেশপুর হয়ে পৌঁছাবে গোপালগঞ্জে। ট্রেনের ছুটি থাকবে সপ্তাহে এক দিন, শনিবার।

 

রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপকের (পশ্চিম) পক্ষে সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল আওয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে বাতিল করতে হবে না চলমান কোনো ট্রেনের যাত্রা। তবে গোপালগঞ্জে এক জোড়া ট্রেন চালু করতে হলে চালুর ব্যবস্থা করতে হবে বন্ধ থাকা স্টেশন। সংস্থান করতে হবে নতুন ক্রু ও গার্ডের।

 

ট্রেনটি চালু হলে গোপালগঞ্জসহ আশপাশের চার জেলার শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষের ঢাকায় যেতে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়। এতে গোবরা স্টেশন থেকে গোপালগঞ্জ-ঢাকা রেল রুটে ট্রেন চালুর প্রস্তাব উঠেছিল।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।