Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

ঝালকাঠিতে সন্তানের মরদেহ নিয়ে মানববন্ধন

admin • 23 Mar 2026, 08:16 PM • পঠিত 2 বার
শেয়ার করুন:
ঝালকাঠিতে সন্তানের মরদেহ নিয়ে মানববন্ধন

ঝালকাঠিতে ১৩ মাস বয়সী কন্যা সন্তানের মরদেহ নিয়ে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে বিচার দাবি করেছেন এক মা। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ভাউতিতা সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

মানববন্ধনে অংশ নেন লিয়া মনি আক্তার, যিনি তার মেয়ে জেসমিনের মৃত্যুর জন্য প্রেমিক হৃদয় ব্যাপারীকে দায়ী করেছেন। এ সময় তিনি মেয়ের হত্যার বিচার এবং অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন লিয়া মনির বাবা মো. ফারুক হোসেন মাঝি, মা পলি বেগম, চাচা বেল্লাল মাঝি ও ফুপু জোসনা বেগমসহ স্বজনরা।

পরিবারের অভিযোগ, ২০২১ সালে একই এলাকার হৃদয় ব্যাপারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান লিয়া মনি। এক পর্যায়ে তিনি গর্ভবতী হন। ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বরিশালের শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন তিনি। সে সময় হৃদয় ব্যাপারী ও তার স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন এবং পরবর্তীতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন।

 

অভিযোগ করা হয়, ১৯ ফেব্রুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কৌশলে নবজাতক শিশুকে নিয়ে পালিয়ে যান হৃদয় ব্যাপারী ও তার স্বজনরা। পরে শিশুটিকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। সেখান থেকে এক ভিক্ষুক শিশুটিকে উদ্ধার করে একটি চাইল্ড হোমে পাঠান, যেখানে সে বড় হতে থাকে।

 

ঘটনার প্রায় তিন মাস পর শিশুটির খোঁজ পেয়ে লিয়া মনির পরিবার তাকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়। ডিএনএ পরীক্ষা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ৯ মার্চ অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

 

এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে লিয়া মনি বাদী হয়ে ৯ মার্চ ঝালকাঠি থানায় হৃদয় বেপারীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তবে অভিযুক্ত হৃদয় ব্যাপারী পলাতক রয়েছে।

 

অভিযুক্তের বাবা আবুল ব্যাপারী তার ছেলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান, ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।