Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

জামালপুরে পূজা উদযাপন পরিষদ এবং পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মধ্যে দ্বন্দ্ব

admin • 13 Sep 2025, 07:42 PM • পঠিত 1 বার
শেয়ার করুন:
জামালপুরে পূজা উদযাপন পরিষদ এবং পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মধ্যে দ্বন্দ্ব

জামালপুরে পূজা উদযাপন পরিষদ এবং পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। 

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জামালপুর জেলাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা উদযাপনের ক্ষেত্রে পূজা উদযাপন পরিষদ বিশেষ ভূমিকা পালন করতো। তবে অতি সম্প্রতি জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি সমর্থিত হিসেবে পরিচিত পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নামের একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে উভয় সংগঠনের নেতারা সক্রিয় রয়েছেন। একদিকে পূজা উদযাপন পরিষদ তাদের পূর্বতন প্রভাব ধরে রাখার চেষ্টা করছে। 

অপরদিকে, নতুন সংগঠন হিসেবে পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা যায়।     

জামালপুর জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের নিকট জামালপুর শহরস্থ শ্রী শ্রী রাধামোহন মন্দির ও দয়াময়ী মন্দিরের বিশেষ প্রভাব রয়েছে। এছাড়া জেলার অন‍্যান‍্য মন্দির এবং মন্দির কমিটির উপরও উল্লিখিত মন্দির দুটির প্রভাব রয়েছে। এ কারণে পূজা উদযাপন ফ্রন্ট উক্ত মন্দির দুটির নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছে। অপরদিকে, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট জামালপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি নতুনভাবে গঠনের জোর দাবি জানাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে পূজা উদযাপন পরিষদ এবং পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে।  

উল্লেখ্য, জামালপুর জেলাসহ দেশের অন্যান্য জেলার পূজা উদযাপন পরিষদের কমিটিতে আওয়ামী লীগ মতাদর্শী অনেক নেতারা রয়েছেন। অপরদিকে জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতারা বিএনপি মতাদর্শী বলে জানা যায়। উক্ত পরিপ্রেক্ষিতে জামালপুর জেলা পূজা উৎযাপন ফ্রন্টের অভিযোগ জামালপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের কমিটিতে থাকা জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু রঞ্জন কুমার সিংহ চপল এবং শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক বাবু দেবব্রত নাগ মধু নিজেদের ইচ্ছামতো কমিটি পরিচালনা করছেন। 

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, পূজার বাজেট, মণ্ডপে সরকারি অনুদান বণ্টন ও প্রশাসনিক যোগাযোগ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিভাজন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অপরদিকে মন্দির কমিটি সংক্রান্ত সংকটের বিষয়টি জেলা প্রশাসন অবগত থাকলেও এখনো তারা কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।