Tuesday, 20 October 2026
শিরোনাম
মেলান্দহে তারাকান্দি সমাজ কল্যাণ সংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কোনো ভুল করিনি কিন্তু, ভুল হয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করছি, বললেন ইশরাক হোসেন। কুমারখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ১২ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত সব মাদ্রাসায় করতে হবে কমিটি, নির্দেশনা আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার আমার দলীয় কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়, এটা গর্বের বিষয়: আইনমন্ত্রী ঘরে বসে প্রিন্টার মেশিনে টাকা বানাচ্ছিলো যুবক গাড়ি থেকে নিজ হাতে সরকারি লোগো খুললেন ইশরাক গোপালগঞ্জে মহাষ্টমী ও সন্ধি পূজা অনুষ্ঠিত আ.লীগকে ফেরানোর চেষ্টা করলে জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে :প্রধানমন্ত্রী
জেলার খবর সারা দেশ

চায়ের বাজারে চালবাজি,রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার !

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
চায়ের বাজারে চালবাজি,রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার !

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চা অঞ্চল পঞ্চগড় । এখানে চা চাষে সবুজ বিপ্লব করেছেন এখানকার ক্ষুদে চা চাষিরা । তবে এখানে হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সরকারি সকল অনুমোদন নিয়ে চা প্যাকেটজাত ও বাজারজাত করলেও প্রায় ২ ডজনেরও বেশি প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়াই চা বাজারজাত করছে। চা কারখানা মালিকরা গোপনে নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে এসব প্রতিষ্ঠানে চা সরবরাহ করছে ।

সম্প্রতি বৈধ লাইসেন্স না থাকা, অনুমোদনহীন ট্রেড মার্ক ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) চালান ব্যবহার না করা, চায়ের নকল মোড়ক, রাজস্ব ফাঁকি এবং কালোবাজার থেকে চা ক্রয়ের অপরাধে পঞ্চগড়ে দুই চা প্যাকেটজাত প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। এতে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব যেমন সরকার, তেমনি মানহীন চা পাতা সরবরাহের ফলে সারা দেশে পঞ্চগড়ে চায়ের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে ।

গত সোমবার (২১ আগস্ট) বিকেলে অভিযান চালিয়ে ‘মিরপুরী চা’ নামের এক প্রতিষ্ঠানেকে ৫০ হাজার টাকা এবং জগদল এলাকার মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের ‘আল আমিন টি’কে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ রুহুল আমীন।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অবৈধ চা ব্যবসা বন্ধ, নানা অনিয়ম এবং সরকারের রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় বাংলাদেশ চা বোর্ড ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সদর উপজেলার দুটি চা প্যাকেটজাত প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়।

 

এসব প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ চা বোর্ড ও বিএসটিআইয়ের কোনো বৈধ লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। এছাড়া, অনুনমোদিত ট্রেড মার্ক ব্যবহার ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) চালান ব্যবহার না করা, চায়ের মোড়ক নকল, রাজস্ব ফাঁকি এবং কালোবাজার থেকে চা ক্রয়ের প্রমাণ মেলে। পরে তাদের চা আইন ২০১৬ ভঙ্গের অপরাধে জরিমানা করা হয়।

 

বাংলাদেশ চা বোর্ডের সচিব মোহাম্মাদ রুহুল আমীন বলেন, চা বোর্ডের লাইসেন্স না নিয়ে অবৈধভাবে ব্যবসা করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এছাড়া কালোবাজার থেকে চা কিনে সরকারের বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ও ট্যাক্স ফাঁকি দিচ্ছে কিছু ব্যবসায়ী। চা ব্যবসার এসব নানা ধরণের অনিয়ম প্রতিরোধে চা বোর্ড পঞ্চগড়ে তিনদিন ধরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। এ ধরণের অভিযান চলমান থাকবে।

 

পঞ্চগড়ে সব অবৈধ চা প্যাকেটজাত প্রতিষ্ঠাকে আইনের আওতায় আনা গেলে যেমন সরকারের রাজস্ব বাড়বে, তেমনি মানসম্মত চা পাবে ভোক্তারা। পঞ্চগড়ের চা চাষের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে সারাদেশে ।।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।