কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রী উর্মি খাতুনকে (৩৮) হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে এফ-ব্লকের একটি ভাড়া বাসা থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী রানা তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে সে। নিহত উর্মি সদর উপজেলার জিয়ারুখী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের মহিউদ্দিনের মেয়ে।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাউজিং সিটি কলেজের সামনে কফি বিক্রেতা রানা তার স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান নিয়ে হাউজিং এলাকায় বসবাস করতেন। তুচ্ছ ঘটনায় প্রায়ই রানার সঙ্গে তার স্ত্রী উর্মির ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত। এরই জেরে রানা তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ঘরের মধ্যে রেখে পালিয়ে গেছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, স্থানীয়দের দেয়া খবরের ভিত্তিতে উর্মি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে উর্মি খাতুনকে তার স্বামী হত্যা করেছে। বিষটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের পরে বিস্তারিত জানা যাবে।





