মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার লাভলী বেগম। প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ দেয়া হয় ১ মে, ১৯৭০ সাল। পরবর্তীতে আবারও পরিচয়পত্র তৈরি করেন। সেখানে ১৪ বছর কমিয়ে জন্ম সাল দেয়া হয় ১৯৮৪।
এরপর লাভলী বেগম কবিরাজপুর সরকারি হাসপাতালে আয়া'র চাকরি নেন। তার দেবর আনোয়ার হাওলাদারও, একইভাবে দ্বিতীয়বার জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেন। বয়স কমান প্রায় ১১ বছর।
পরে চাকরি নেন কবিরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এভাবে দেবর-ভাবি বয়স কমিয়ে সরকারি চাকরি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।
বিষয়টি নজরে আসে, ইউপি নির্বাচনের ভোটার তালিকা যাচাই করতে গিয়ে। দেখা যায়, একই ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের দুই আইডি।অভিযুক্তদের দাবি, তাদের দুইজনেরই আইডি কার্ড হারিয়ে গেছে। হালনাগাদের সময় উপযুক্ত প্রমাণ দিয়েই নতুন আইডি কার্ড তৈরি করা হয়েছে।
জাতীয় পরিচয়পত্রে জালিয়াতির এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন আল মামুন বলেছেন, বয়স কমিয়ে অতিরিক্ত আইডি বানানো হলে, তা বাতিল করা হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে, বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।





