সাকিব কি ক্রিকেটের রুলস কে সম্মান জানিয়ে স্মার্টনেস এর পরিচয় দিলেন নাকি বিশ্ব ক্রিকেটে নিজ দেশকে লজ্জায় ফেলে দিলেন?
‘টাইম আউট’ ( Timed out ) এটি ক্রিকেটের একটি proximate rule. অর্থ্যাৎ এই Rule অব্যবহিত। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ক্রিকেটারগণ প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিনে এই নিয়ম চর্চা থেকে বিরত থাকেন। কিন্ত সাকিবের কাছে এই মুহূর্তে এতোকিছু ভাবার সময় কোথায়!
কারণ তার নেতৃত্বে থাকা দল ইতিমধ্যে কোমায় চলে গিয়েছে। বাংলায় একটা প্রবাদ আছে চাচা আপনা প্রাণ বাচাঁ। সাকিব সেটিই করে দেখালেন। তিনি প্রমাণ করলেন নিজে বাচঁলে বাপের নাম।
মানুষ যখন দেউলিয়া হয়ে যায় তখন মানুষের মধ্যে মানবিকতা কাজ করেনা। বাংলাদেশ ক্রিকেটদল তো অনেকটা দেউলিয়া বলা যায়। সুতরাং সাকিব যা করেছেন ঠিক করেছেন!
কিন্ত একটি কথাতো থেকেই যায়! বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের বাঘ পরিচয় দিয়ে বিড়ালের মতো আচরণ করা তো নিঃসন্দেহে লজ্জার। তাইনা?? ঈশাঁ খাঁ এর ইতিহাস যারা পড়েছেন তারা জানেন ঈশা খা এবং মানসিংহের মধ্যে যুদ্ধ চলা অবস্থায় মানসিংহের তরবারি ভেঙে যায় তখন ঈশা খা আরেকটি তরবারি এনে মানসিংহের হাতে দেন।
কিন্ত সাকিবরা তাদের পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করতে পারেনি। কারণ তাদের মধ্যে কোনো আত্ববিশ্বাস নেই। তারা নিজেদের প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছে! এ্যাঞ্জালা ম্যাতিউস কে ভয় পেয়েছে! এটি সত্যিই লজ্জার! চরম কাপুরুষতার!